ঘটনা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় করিম কেরানিহাট বাজারে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে পাশের পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের দিক থেকে ১০-১২ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে বাজারে প্রবেশ করে।
কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুর্বৃত্তরা করিমকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে দ্রুত মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায়। পেটে গুলি লাগায় ঘটনাস্থলেই সড়কের পাশে উপুড় হয়ে পড়ে থেকে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পুরো কেরানিহাট বাজার এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেন।
সংবাদ পেয়ে স্থানীয় নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনিসুর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, করিমের মৃত্যুর পেছনে কারা এবং কী উদ্দেশ্যে জড়িত, তা পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। তিনি আরো জানান, নিহত করিমের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা এবং আবদুল মান্নানের ওপর হামলার ঘটনাসহ একাধিক অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ও মামলা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন রাউজানের পাহাড়তলী বাজারের চৌমুহনী এলাকায় একইভাবে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে গুলি করে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২৭/২৮টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অন্তত ২০/২১টি রাজনৈতিক সহিংসতার জেরে সংঘটিত।
C71 News/এম.ইফতেখারুল হাসান


0 মন্তব্যসমূহ